বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে লাগা আগুনে কৃষক নিবারণ চন্দ্র সরকারের বসতবাড়ি ও গোয়ালঘরসহ তিনটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার, টেলিভিশন, ফ্রিজ, খাদ্যশস্য ও আসবাবপত্র পুড়ে যায়। আগুনে একটি গরু ও একটি ছাগল আহত হয়েছে এবং পাঁচটি মুরগি পুড়ে মারা গেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।
শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াজান গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানিয়াজান গ্রামের প্রান্তিক কৃষক নিবারণ চন্দ্র সরকার রাতে গোয়ালঘরে গবাদিপশু রেখে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের বসতঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে তিনটি ঘরের মালামাল পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার, টেলিভিশন, ফ্রিজ, খাদ্যশস্য ও আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গোয়ালঘরে থাকা একটি গরু ও একটি ছাগল আহত হয়েছে এবং পাঁচটি মুরগি পুড়ে মারা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত যুবদল নেতা শহীদ জাহান সুমন বলেন, মুহূর্তের মধ্যে এত সুন্দর বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পরিবারটিকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টদায়ক।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম বলেন,
বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের আগুনে আমার ওয়ার্ডের নিবারণ চন্দ্র সরকার সর্বস্ব হারিয়েছেন। এতে আমরা খুবই কষ্ট পেয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি ও এনজিও সংস্থার সহযোগিতা খুবই জরুরি।
অগ্নিকাণ্ডে নিবারণ চন্দ্র সরকারের পরিবারটি চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
আব্দুর রাজ্জাক আশিক
